Home আগরতলা“শহরের প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ—বস্তি এলাকার ঝুঁকিপ্রবণতা চিহ্নিতকরণে আগরতলায় একদিনের কর্মশালা”

“শহরের প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ—বস্তি এলাকার ঝুঁকিপ্রবণতা চিহ্নিতকরণে আগরতলায় একদিনের কর্মশালা”

by Debasish
0 comments 7 views

আগরতলা, ১১ সেপ্টেম্বর: শহরাঞ্চলের বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সঠিক চিহ্নিতকরণ এবং তাদের স্বাস্থ্য পরিষেবার আওতায় আরও কার্যকরভাবে নিয়ে আসার লক্ষ্যে আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে একদিনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় নগর স্বাস্থ্য মিশন (NUHM)-এর অধীনে আয়োজিত এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল শহরের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর Vulnerability Mapping বা ঝুঁকিপ্রবণতা নির্ধারণ ও মানচিত্রায়ন আরও শক্তিশালী করা।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের উপসচিব ড. আশিমা ভাটনগর, ত্রিপুরার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের অতিরিক্ত সচিব তথা জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (NHM) মিশন ডিরেক্টর সাজু ওয়াহিদ এস., DF&PM-এর যুগ্ম অধিকর্তা ড. নুপুর দেববর্মা, NHSRC-এর লিড কনসালট্যান্ট (PHA) প্রশান্ত কে. এস., NHM-এর যুগ্ম মিশন অধিকর্তা ড. জুবিলি দেববর্মা এবং DHS-এর ড. দেবশ্রী দেববর্মা।

এছাড়াও আগরতলা পুর নিগম, পানীয় জল ও স্বাস্থ্যবিধান দফতর (DWS), বিভিন্ন নগর স্থানীয় সংস্থা (ULB) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দফতরের প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন।

কর্মশালায় শহরের বস্তি এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যগত ও সামাজিক ঝুঁকি চিহ্নিত করার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক পদ্ধতিতে Vulnerability Mapping তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে কোন এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রয়োজন বেশি, কোন কোন জনগোষ্ঠী এখনও প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে পিছিয়ে রয়েছে এবং কীভাবে তাদের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, শহরের প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করা গেলে স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে।

কর্মশালায় আন্তঃদফতরীয় সমন্বয় এবং তথ্যভিত্তিক Vulnerability Mapping-এর মাধ্যমে শহরের বস্তি এলাকার মানুষের জন্য সমান ও প্রয়োজনভিত্তিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

You may also like

Leave a Comment