Home আগরতলাটাউন বড়দোয়ালিতে পাঁচ শোকসন্তপ্ত পরিবারের বাড়িতে মানিক সাহা

টাউন বড়দোয়ালিতে পাঁচ শোকসন্তপ্ত পরিবারের বাড়িতে মানিক সাহা

by Debasish
0 comments 1 views

আগরতলা, ১৯ সেপ্টেম্বর: নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ৮-টাউন বড়দোয়ালির পাঁচটি শোকসন্তপ্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী তথা টাউন বড়দোয়ালির বিধায়ক অধ্যাপক ডা. মানিক সাহা। সম্প্রতি ওই পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু হয়েছিল। শনিবার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং গভীর সমবেদনা জানান।

পরিবারগুলির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, টাউন বড়দোয়ালি তাঁর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র। দলের কয়েকজন কর্মীর বাবা-মা সম্প্রতি মারা গিয়েছেন। মৃত্যুর সময় বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে তিনি তাঁদের বাড়িতে যেতে পারেননি। দিল্লি-সহ বিভিন্ন জায়গায় সরকারি কাজে তাঁকে প্রায়ই যেতে হয় বলেও জানান তিনি।

মানিক সাহা বলেন, এই পাঁচটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতির প্রতি ব্যক্তিগতভাবে সমবেদনা জানাতেই তিনি তাঁদের বাড়িতে গিয়েছেন। একজন বিধায়ক হিসেবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা কোনওভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। এমন কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই মূল উদ্দেশ্য ছিল তাঁর।

এদিকে, তাঁর এই সফর কোনও আসন্ন দলীয় কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। দলীয় ভবিষ্যৎ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি জানান, কখন এবং কীভাবে সেই কর্মসূচি হবে, তা দলই ঘোষণা করবে। এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে নিয়মিত যাতায়াত করেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। শুধু শনিবারের কর্মসূচির মধ্যেই তাঁর জনসংযোগ সীমাবদ্ধ নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সম্প্রতি রামনগর ১ নম্বর এলাকার এক প্রাক্তন সহপাঠীর মৃত্যুর খবর ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরে তাঁর বাড়িতে যাওয়ার কথাও স্মরণ করেন মানিক সাহা। ওই ব্যক্তি পেশায় শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন এবং তাঁর মেয়েও একসময় মুখ্যমন্ত্রীর ছাত্রী ছিলেন বলে জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কোনও পরিবারের শোকের খবর পেলেই তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁর মতে, প্রিয়জন হারানোর মতো কঠিন সময়ে মানুষের পাশে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনওভাবে তাঁদের সাহায্য করতে পারলে সেটিকেও তিনি নিজের জন্য তৃপ্তির বিষয় বলে মনে করেন।

শনিবারের এই সফরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় দলীয় কর্মী ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। শোকের সময় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মানসিকভাবে শক্ত থাকার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

You may also like

Leave a Comment