সোনামুড়া, ৭ নভেম্বর: বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলা চালিয়ে সার্ভিস রাইফেল ছিনিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পুলিশের জালে ধরা পড়ল মূল অভিযুক্তরা। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিউল হোসেন ও মাহাবুল হোসেনকে কলমচৌড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা কলমচৌড়া থানার হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সিপাহীজলা জেলার পুলিশ সুপার বিজয় দেববর্মা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
জানা গেছে, অভিযুক্ত দুজনকে কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটা নাগাদ কলমচৌড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনার পিছনে আরও কারও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় রবিউল হোসেনের মা হাসিনা বেগমকেও আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে সোনামুড়ার কালাপানি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে সোনামুড়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। শনিবার তাঁকে সোনামুড়া আদালতে পেশ করা হলে আদালত আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানা গেছে। পরবর্তী সময়ে তাঁকে সোনামুড়া থানা থেকে বিশালগড় মহিলা থানায় স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, ওই ভিডিওতে হাসিনা বেগম, তাঁর ছেলে রবিউল হোসেন এবং মাহাবুল হোসেনকে লাঠি হাতে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলা চালাতে দেখা গিয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলা, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়া এবং গোটা ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই ঘটনায় আরও কোনও অভিযুক্তের নাম সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।