Home ত্রিপুরাজাতীয় শিক্ষক পুরস্কার ২০২৬-এ সম্মানিত ত্রিপুরার রঞ্জন দেবনাথ, গর্বিত সাবরুম

জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার ২০২৬-এ সম্মানিত ত্রিপুরার রঞ্জন দেবনাথ, গর্বিত সাবরুম

by Debasish
0 comments 10 views

আগরতলা, ২২ আগস্ট: ত্রিপুরার শিক্ষা ক্ষেত্রে এল আরও এক বড় স্বীকৃতি। জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য দেশের ৪৮ জন শিক্ষকের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরুমের পিএম শ্রী সাবরুম গার্লস হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক রঞ্জন দেবনাথ। তাঁর এই সম্মাননায় জাতীয় স্তরে উজ্জ্বল হল ত্রিপুরার স্কুলশিক্ষা ক্ষেত্র।

বিদ্যালয় শিক্ষার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। রঞ্জন দেবনাথের নির্বাচন প্রমাণ করে, রাজ্যের প্রত্যন্ত ও মফস্বল এলাকার শিক্ষকরাও তাঁদের নিষ্ঠা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রঞ্জন দেবনাথ আগরতলার উমাকান্ত একাডেমি ও এমবিবি কলেজে পড়াশোনা করেছেন। শিক্ষকতা জীবনে তাঁর অবদান এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকার ভিত্তিতেই জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য তাঁর নাম নির্বাচিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার তুলে দেবেন। অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাজ ও অবদান তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হবে।

এবারের জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের নির্বাচন হয়েছে তিন ধাপের প্রক্রিয়ায়—জেলা, রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। মোট ৪৮ জন পুরস্কারপ্রাপকের মধ্যে রয়েছেন ২৬ জন পুরুষ ও ২২ জন মহিলা শিক্ষক। তাঁরা দেশের ২৭টি রাজ্য, সাতটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ছয়টি কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করছেন।

যোগ্য শিক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে স্ব-মনোনয়ন আহ্বান করেছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। গত ১৫ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া চলে।

রঞ্জন দেবনাথের জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হওয়ার খবরে সাবরুমসহ গোটা ত্রিপুরার শিক্ষক মহলে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তাঁর এই সাফল্য আগামী দিনে রাজ্যের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আরও উৎসাহিত করবে বলেই মনে করছেন শিক্ষা মহলের একাংশ।

You may also like

Leave a Comment