Home আগরতলা‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক আলাদা, বিজেপিই প্রথম’: প্রদ্যোত প্রসঙ্গে বিপ্লব দেব, নিশানায় সিপিএম

‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক আলাদা, বিজেপিই প্রথম’: প্রদ্যোত প্রসঙ্গে বিপ্লব দেব, নিশানায় সিপিএম

by Debasish
0 comments 16 views

আগরতলা, ৩০ আগস্ট : রাজ্য রাজনীতিতে জোটের সমীকরণ, তিপ্রা মথার প্রধান প্রদ্যোত কিশোর মানিক্যের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং সিপিএমের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সরব হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। প্রদ্যোত কিশোর মানিক্যের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকলেও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিজেপিই তাঁর কাছে সর্বাগ্রে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিপ্লব দেব বলেন, “বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটা ব্যক্তিগত, কিন্তু দল আলাদা। আমার কাছে ভারতীয় জনতা পার্টিই সর্বাগ্রে। বিজেপিই আমাকে রাজনীতিতে পরিচয় দিয়েছে। তাই বিজেপি প্রথম, তারপর বিপ্লব দেব এবং বাকি সব।”

প্রদ্যোত কিশোর মানিক্যের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “মহারাজ প্রদ্যোত কিশোর মানিক্য নিজের দলের ব্যবস্থা নিজেই দেখবেন।” পাশাপাশি প্রদ্যোত একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে কাজ করার কথা বলেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সেই অনুযায়ী তিনি সরকারের সঙ্গেও রয়েছেন বলে দাবি বিপ্লব দেবের।

এদিন সিপিএমকেও তীব্র আক্রমণ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ত্রিপুরায় দীর্ঘদিনের বাম শাসনকালে প্রদ্যোত কিশোর মানিক্যের পরিবারের ওপর সিপিএমের অত্যাচার হয়েছে। সেই কারণে প্রদ্যোত বামপন্থীদের রাজনৈতিকভাবে ভালোভাবেই চেনেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিপ্লব দেবের দাবি, স্বাভাবিকভাবেই প্রদ্যোত কিশোর মানিক্য ত্রিপুরায় কমিউনিস্টদের পুনরায় ক্ষমতায় দেখতে চাইবেন না।

সিপিএমের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিপ্লব দেব। তিনি বলেন, “সিপিএম একবার ক্ষমতা থেকে গেলে আর ফিরে আসে না। রাজ্যে সিপিএমের আর দরকারটাই বা কিসের জন্য? উন্নয়ন করার জন্য, নাকি রোজগার দেওয়ার জন্য? কী যুক্তিতে তারা ফিরবে?”

অন্যদিকে বিজেপির অভ্যন্তরে গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগও খারিজ করে দেন বিপ্লব দেব। তাঁর দাবি, বিজেপি গোষ্ঠীকোন্দলে বিশ্বাস করে না। তাঁর কথায়, যারা অতীতে গোষ্ঠীকোন্দল করেছে, তাদের কারণেই দীর্ঘ ২৫ বছর রাজ্যে কমিউনিস্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং রাজ্যের ক্ষতি হয়েছে।

বিজেপি আগামী দিনেও “এক দল, এক নেতৃত্ব ও এক মন্ত্র” নীতিতে এগিয়ে যাবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, ব্যক্তিগত সম্পর্ককে রাজনৈতিক অবস্থান থেকে পৃথক রেখেই দলীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।

You may also like

Leave a Comment