সিআইএসএফের তল্লাশিতে ৫টি চুড়ি, সঙ্গে প্রায় ২ লক্ষ টাকার রুপোর গয়না; হস্তান্তর কাস্টমসের হাতে
আগরতলা, ১৬ সেপ্টেম্বর: আগরতলা মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরে সিআইএসএফের নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশিতে প্রায় ৫০০ গ্রাম ওজনের পাঁচটি সন্দেহভাজন সোনার চুড়ি উদ্ধার হয়েছে। সিআইএসএফ সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া সন্দেহভাজন সোনার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা। একই যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ৮০০ গ্রাম ওজনের রুপোর গয়নাও উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা।
ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সকাল প্রায় ৯টা ৩৫ মিনিট নাগাদ। ওই মহিলা যাত্রী আগরতলা বিমানবন্দরে পৌঁছে কলকাতাগামী ইন্ডিগো বিমানে ওঠার আগে প্রি-এম্বার্কেশন সিকিউরিটি স্ক্রিনিংয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁর লাগেজ স্ক্যান করার সময় সিআইএসএফ কর্মীদের নজরে আসে অস্বাভাবিক একটি ছবি, যা থেকে ভারী ধাতব সামগ্রীর উপস্থিতির সন্দেহ হয়।
এরপর লাগেজটি শারীরিকভাবে পরীক্ষা করা হলে সেখান থেকে তিনটি সন্দেহভাজন সোনার চুড়ি উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে ওই মহিলা যাত্রীর ব্যক্তিগত তল্লাশি চালিয়ে আরও দুটি সন্দেহভাজন সোনার চুড়ি উদ্ধার করেন নিরাপত্তাকর্মীরা।
ঘটনার পরই সিআইএসএফের পক্ষ থেকে বিষয়টি কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় উদ্ধার হওয়া সন্দেহভাজন সোনার বৈধ মালিকানা বা বহনের সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সিআইএসএফ সূত্রে আরও জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে ওই যাত্রী দাবি করেন, সীমান্তের ওপার থেকে সন্দেহভাজন সোনা আনা হয়েছিল এবং কলকাতায় গয়না তৈরির উদ্দেশ্যে তা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
পরবর্তীতে কাস্টমস আধিকারিকরা বিমানবন্দরে পৌঁছে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। দুপুর প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পাঁচটি সন্দেহভাজন সোনার চুড়ি এবং রুপোর গয়নাগুলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জব্দ করে।
এ ঘটনায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পরবর্তী তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলির প্রকৃত ধাতব গঠন, চূড়ান্ত মূল্য এবং অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য কাস্টমসের পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানা গেছে।
সিআইএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানবন্দরে নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির সময়ই এই সামগ্রীগুলি শনাক্ত করা হয়।