Home ত্রিপুরাচম্পকনগরে জাতীয় সড়কের বেহাল দশা, বৃষ্টিতে পিচ্ছিল রাস্তায় তীব্র যানজট

চম্পকনগরে জাতীয় সড়কের বেহাল দশা, বৃষ্টিতে পিচ্ছিল রাস্তায় তীব্র যানজট

by Debasish
0 comments 13 views

জল-কাদায় বিপর্যস্ত যান চলাচল, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী গাড়ি

আগরতলা, ১০ সেপ্টেম্বর: বৃষ্টি হলেই চম্পকনগর এলাকায় জাতীয় সড়কের দুর্ভোগ চরমে উঠছে। রাস্তার উপর কাদা ও বৃষ্টির জল জমে যাওয়ায় পিচ্ছিল হয়ে পড়েছে সড়ক। ফলে যান চলাচল কার্যত ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, অসম-আগরতলা জাতীয় সড়কের চারলেনের কাজ দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তবে নির্মাণকাজে বারবার ছেদ পড়ায় প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এরই মধ্যে বুধবার সন্ধ্যা থেকে চম্পকনগর অংশে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবারের বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

বৃষ্টির জল জমে যাওয়ায় রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। এর ফলে চম্পকনগরের দুই পাশে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী গাড়ি আটকে পড়ে। ছোট গাড়িগুলি কোনওভাবে স্থানীয় বিকল্প রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারলেও বড় গাড়ির চালকদের চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেক গাড়িকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

যাত্রী ও গাড়িচালকদের দাবি, বর্তমানে চম্পকনগর থেকে আগরতলা পৌঁছতে প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগছে। বুধবার সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে পড়েছিল। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এদিকে, বিপুল সংখ্যক যানবাহন আটকে থাকলেও যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কোনও কর্মীকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা। ফলে যানজট আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।

দ্রুত জাতীয় সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করার পাশাপাশি আপাতত রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে তোলা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গাড়িচালক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

নির্মাণকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, সময়ে সময়ে রাস্তা মেরামত ও সংস্কারের কাজ শুরু করা হলেও মাঝপথে তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে প্রকল্পের কাজ যেমন থমকে থাকছে, তেমনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে চম্পকনগর অংশে যান চলাচল আরও বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

You may also like

Leave a Comment