Home আগরতলাসহকারী অধ্যাপক সংকটে উচ্চশিক্ষা, বিধানসভায় সরব সুদীপ রায় বর্মন

সহকারী অধ্যাপক সংকটে উচ্চশিক্ষা, বিধানসভায় সরব সুদীপ রায় বর্মন

by Debasish
0 comments 8 views

মাত্র ৫০৭ জন নিয়মিত সহকারী অধ্যাপক, অতিথি শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন; নিয়োগে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি

আগরতলা, ২৮ আগস্ট: রাজ্যের ডিগ্রি কলেজগুলিতে সহকারী অধ্যাপকের শূন্যপদ ও শিক্ষক সংকট নিয়ে বিধানসভায় সরব হলেন প্রবীণ কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। চার বছরের স্নাতক ‘Honours with Research’ পাঠ্যক্রম চালুর পরিকাঠামো ও পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

বিধানসভায় আলোচনায় অংশ নিয়ে সুদীপ রায় বর্মন বলেন, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে রাজ্যে মাত্র ৫০৭ জন নিয়মিত সহকারী অধ্যাপক রয়েছেন। অন্যদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে ৭৩২ জন অতিথি অধ্যাপক বা ভিজিটিং লেকচারার রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মাত্র ১৭৮ জনের NET, SET অথবা PhD যোগ্যতা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তাঁর প্রশ্ন, পর্যাপ্ত সংখ্যক স্থায়ী শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় গবেষণামূলক পরিকাঠামো না থাকলে কীভাবে চার বছরের ‘Honours with Research’ পাঠ্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে? শিক্ষার মান বজায় রাখতে অবিলম্বে শিক্ষক সংকট দূর করার ওপর জোর দেন তিনি।

এদিন অতিথি শিক্ষক বা ভিজিটিং লেকচারারদের নিয়মিতকরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, পিজিটি শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ মেনে যে প্রক্রিয়ায় স্থায়ীকরণ করা হয়েছিল, সেই দৃষ্টান্ত বিবেচনায় নিয়ে যোগ্যতাসম্পন্ন ভিজিটিং লেকচারারদের নিয়মিত করার বিষয়টিও সরকার খতিয়ে দেখতে পারে।

শিক্ষক সংকট দ্রুত মেটাতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই এগিয়ে চলছে। ২০১টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বিধানসভায় জানানো হয়। পাশাপাশি আরও ২০০টি নতুন সহকারী অধ্যাপক পদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে।

তবে আইনি জটিলতা এবং বয়সসীমা সংক্রান্ত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ, অতিথি শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ এবং গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো নিয়ে এদিন বিধানসভায় বিরোধী ও সরকারি পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। শিক্ষক সংকট দ্রুত সমাধান করে কলেজগুলিতে উচ্চশিক্ষার মান বজায় রাখার দাবি জোরালো হয়ে ওঠে অধিবেশনে।

You may also like

Leave a Comment