Home ত্রিপুরাশিক্ষাব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনেছে NEP: ত্রিপুরায় NCERT অধিকর্তা

শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনেছে NEP: ত্রিপুরায় NCERT অধিকর্তা

by Debasish
0 comments 0 views

শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু আগরতলায়

আগরতলা, ২২ সেপ্টেম্বর: জাতীয় শিক্ষানীতি বা NEP দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করলেন ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (NCERT)-এর অধিকর্তা অধ্যাপক দীনেশ প্রসাদ সাকলানি। মঙ্গলবার আগরতলার ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার কমপ্লেক্সে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও শিক্ষাদানের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

NCERT-এর উদ্যোগে এবং রাজ্যের স্টেট কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (SCERT)-এর সহযোগিতায় ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ ফর স্কুল হেডস’ অ্যান্ড টিচার্স’ হলিস্টিক অ্যাডভান্সমেন্ট (NISHTHA)-এর আওতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। NCERT-এর তথ্য অনুযায়ী, NISHTHA শিক্ষক ও স্কুলপ্রধানদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

একটি বোতাম টিপে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অধ্যাপক দীনেশ প্রসাদ সাকলানি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কুল এডুকেশন দপ্তরের সচিব ড. মিলিন্দ রামটেকে। তিনিও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

NCERT অধিকর্তা বলেন, NEP-এর কার্যকর বাস্তবায়নে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীরা তাদের চারপাশের প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত হয়ে নানা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করে। শিক্ষার্থীদের এই সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচির নিয়মিত পর্যালোচনা এবং প্রশিক্ষণার্থীদের মতামত ও পরামর্শের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন সাকলানি। তাঁর মতে, কর্মশালা থেকে পাওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মতামত ও পরামর্শ ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করবে।

অন্যদিকে, স্কুল এডুকেশন দপ্তরের সচিব ড. মিলিন্দ রামটেকে বলেন, এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রাথমিক ও স্কুলশিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে সাক্ষরতার হারের নিরিখে ত্রিপুরা দেশে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পেশাগত দক্ষতা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি রাজ্যের স্কুলশিক্ষার মানোন্নয়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

You may also like

Leave a Comment