Home আগরতলাবিশালগড়ে গণেশ পূজাকে ঘিরে উৎসবের আবহ, স্বাস্থ্য শিবির ও বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় জমজমাট সূচনা

বিশালগড়ে গণেশ পূজাকে ঘিরে উৎসবের আবহ, স্বাস্থ্য শিবির ও বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় জমজমাট সূচনা

by Debasish
0 comments 2 views

আগরতলা, ১২ সেপ্টেম্বর : গণেশ পূজাকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে বিশালগড়। বিশালগড় বিজেপি মণ্ডলের উদ্যোগে সার্বজনীন গণেশ পূজা উপলক্ষে শনিবার থেকেই শুরু হয়েছে একাধিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মসূচি। পূজার আনন্দের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এবারের গণেশ উৎসবের সূচনা হয়েছে।

শনিবার সকালে খুদে পড়ুয়াদের নিয়ে আয়োজন করা হয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাকে ঘিরে উৎসব প্রাঙ্গণে তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।

এর পাশাপাশি আয়োজন করা হয় একটি বিনামূল্যে মেগা স্বাস্থ্য শিবিরের। শিবিরে আগত রোগীদের বিনামূল্যে রক্তচাপ, রক্তে শর্করা পরীক্ষা-সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।

শনিবার দুপুরে মেগা স্বাস্থ্য শিবির পরিদর্শন করেন বিশালগড়ের স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেব। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিপাহীজলা জেলা উত্তরের সভাপতি বিপ্লব চক্রবর্তী, বিশালগড় বিজেপি মণ্ডলের সভাপতি তপন দাস, ওবিসি মোর্চার মণ্ডল সভাপতি অমলেশ ঘোষ-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা।

স্বাস্থ্য শিবির পরিদর্শন শেষে বিধায়ক সুশান্ত দেব বলেন, প্রতি বছরই বিশালগড় মণ্ডল কমিটির উদ্যোগে নিষ্ঠার সঙ্গে গণেশ পূজা ও উৎসবের আয়োজন করা হয়। পূজার আনন্দের পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দেওয়াই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য বলেও তিনি জানান।

এবারের উৎসবেও থাকছে একাধিক বিশেষ আকর্ষণ। রবিবার আয়োজন করা হবে মহাবৈষ্ণব সম্মেলন ও বিশেষ মহা আরতি। এছাড়াও আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার থেকে প্রতিদিন দুপুরে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার ভক্তের মধ্যে বিনামূল্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

উৎসবের দিনগুলিতে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। বহিরাগত খ্যাতনামা শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। তবে এবারের অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে বিশেষ ‘ভজন ক্লাবিং কনসার্ট’। আয়োজকদের দাবি, গণেশ পূজা উপলক্ষে ত্রিপুরায় এই ধরনের অনুষ্ঠান প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ড, শিশুদের প্রতিভা বিকাশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমন্বয়ে বিশালগড়ে এবারের গণেশ উৎসব আরও বর্ণময় হয়ে উঠতে চলেছে। গত বছরের মতো এ বছরও বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

You may also like

Leave a Comment