আগরতলা, ২৯ আগস্ট: পবিত্র রাখিবন্ধন উৎসবকে কেন্দ্র করে স্নেহ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে অনাথ শিশু এবং সমাজের তৃণমূল স্তরে কাজ করা আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সঙ্গে রাখিবন্ধন পালন করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ‘নীলজ্যোতি’ হোমের অনাথ শিশুদের হাতে রাখি পরিয়ে দেন প্রতিমা ভৌমিক। শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে শিশুদের উচ্ছ্বাস ও হাসিমুখে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এরপর অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সঙ্গে রাখিবন্ধন পালন করা হয়। গ্রাম ও প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী এই কর্মীদের হাতে রাখি পরিয়ে তাদের সম্মান ও শুভেচ্ছা জানান প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমা ভৌমিক বলেন, বৈদিক যুগ থেকেই রাখিবন্ধন উৎসবের প্রচলন রয়েছে। ১৯০৫ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে রাখিবন্ধন উৎসবের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁর মতে, রাখিবন্ধনের মূল তাৎপর্য হলো পারস্পরিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্যকে আরও সুদৃঢ় করা।
তিনি আরও বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের প্রতি প্রত্যেকেরই দায়বদ্ধতা রয়েছে। সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সুরক্ষা ও কল্যাণে এগিয়ে আসাই রাখিবন্ধনের প্রকৃত অঙ্গীকার হওয়া উচিত।
অনুষ্ঠান শেষে অনাথ শিশু, আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং উপস্থিত সকল শুভানুধ্যায়ীদের রাখিবন্ধনের শুভেচ্ছা জানান প্রতিমা ভৌমিক।