আগরতলা, ৮ সেপ্টেম্বর: বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করার পাশাপাশি তৃণমূল স্তরের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প’ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে দল। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করে বুথস্তরের কর্মীদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ত্রিপুরার সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিপ্লব কুমার দেব জানান, বিজেপি নেতা বিনোদ তাওড়ে এই কর্মসূচির তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন। ইতিমধ্যেই দলীয় কার্যালয়ে ‘সেবা সংকল্প’ নিয়ে দু’দিনের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি. এল. সন্তোষের নির্দেশনা ও পরিকল্পনার ভিত্তিতেই কর্মসূচির কাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিপ্লব কুমার দেবের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘সেবা সংকল্প’-এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব সাধারণ মানুষ এবং দলের কর্মীদের কাছে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে। কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন দায়িত্ব নির্দিষ্ট প্রভারিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির অগ্রগতি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, যার মধ্যে বি. এল. সন্তোষ এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতিও রয়েছেন, নজরদারি করবেন বলে জানান তিনি।
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ সাংগঠনিক জীবনের কথাও তুলে ধরেন বিপ্লব কুমার দেব। তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে আসীন হওয়ার আগে মোদি দীর্ঘদিন বিজেপির তৃণমূল স্তরে কাজ করেছেন। বুথস্তর পর্যন্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতার কারণে তিনি দেশের মাটির কাছের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর ধারণা অর্জন করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিপ্লব কুমার দেব বলেন, “দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের শীর্ষ নেতা তৃণমূল স্তর থেকে কাজ করে সর্বোচ্চ পদে পৌঁছেছেন—এটি প্রতিটি বিজেপি কর্মীর জন্য গর্বের বিষয়।”
তাঁর দাবি, সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি ‘সেবা সংকল্প’ কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে দলের তৃণমূল স্তরের কর্মীদের আরও সক্রিয় ও সংগঠিত করার চেষ্টা চলবে।
একইসঙ্গে এই কর্মসূচি শুধুমাত্র সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করবে না, বরং বিজেপি কর্মীদের নতুন করে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিপ্লব কুমার দেব। তাঁর কথায়, ‘সেবা সংকল্প’ কর্মসূচি দলের কর্মীদের মনোবল আরও বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।