Home ত্রিপুরাদিল্লিতে তিপ্রা মথার শীর্ষ বৈঠক! জোট ও ত্রিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে বাড়ছে তৎপরতা

দিল্লিতে তিপ্রা মথার শীর্ষ বৈঠক! জোট ও ত্রিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে বাড়ছে তৎপরতা

by Debasish
0 comments 15 views

টিটিএএডিসি-র ক্ষমতা বৃদ্ধি ও তিপ্রাসাদের সাংবিধানিক অধিকারই মূল দাবি, ৭০:৩০ আসন সমঝোতার খবর উড়িয়ে দিলেন রঞ্জিত দেববর্মা

আগরতলা, ৩ সেপ্টেম্বর: তিপ্রা মথার প্রস্তাবিত জোট এবং ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে ফের তৎপরতা শুরু হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনার জন্য তিপ্রা মথার বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে তিপ্রা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর মাণিক্য দেববর্মা-সহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত থাকতে পারেন।

দিল্লি রওনা হওয়ার আগে রঞ্জিত দেববর্মা জানান, মহারাজের আহ্বানেই তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর কথায়, আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক ফল পাওয়ার আশা রয়েছে।

বৈঠকে ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনোমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল (TTAADC)-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি অন্যতম প্রধান বিষয় হতে পারে বলে জানান রঞ্জিত দেববর্মা। পাশাপাশি আলোচনায় আগে উত্থাপিত ভিজিল্যান্স কমিটি গঠনের বিষয়টিও ফের সামনে আসতে পারে।

রঞ্জিত দেববর্মার বক্তব্য, তিপ্রাসা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যেই জোট প্রক্রিয়ায় এগিয়েছে তিপ্রা মথা। তাই অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে ৭০:৩০ আসন ভাগাভাগির ফর্মুলা নিয়ে যে আলোচনা চলছে বলে খবর ছড়িয়েছে, তা সরাসরি নাকচ করে দেন রঞ্জিত দেববর্মা। তিনি স্পষ্ট জানান, এখনও পর্যন্ত আসন সমঝোতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রথমে তিপ্রাসাদের অধিকার নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে হবে। সেই অবস্থানের ওপরই পরবর্তী আলোচনা নির্ভর করবে।

তিনি আরও জানান, তিপ্রা মথা ইতিমধ্যেই নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং নির্বাচন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

আসন্ন ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে দিল্লির বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানান রঞ্জিত দেববর্মা।

তিপ্রা মথার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, টিটিএএডিসির ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তিপ্রাসা জনগণের সাংবিধানিক সুরক্ষা তাদের মূল দাবি। রঞ্জিত দেববর্মার কথায়, অধিকার নিশ্চিত না হলে কোনও জোটে যাওয়ার প্রশ্নই নেই।

তিনি কার্বি, বোড়ো ও ডিমাসা জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার ও সুরক্ষার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তিপ্রাসারাও একই ধরনের সাংবিধানিক সুরক্ষা চাইছে। তাঁর দাবি, এটি কোনও অনুগ্রহ নয়; সাংবিধানিক অধিকার আদায়ের দাবিই তিপ্রা মথার মূল অবস্থান।

You may also like

Leave a Comment