Home ত্রিপুরাত্রিপুরায় ৮৬.৫২% গ্রামীণ পরিবারে পাইপলাইনের পানীয় জল, ১০০%-এর লক্ষ্যে সরকার : মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা

ত্রিপুরায় ৮৬.৫২% গ্রামীণ পরিবারে পাইপলাইনের পানীয় জল, ১০০%-এর লক্ষ্যে সরকার : মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা

by Debasish
0 comments 19 views

আগরতলা, ২৭ আগস্ট: ত্রিপুরার গ্রামীণ এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জল সরবরাহে বড় অগ্রগতি হয়েছে। ২০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত রাজ্যের ৮৬.৫২ শতাংশ গ্রামীণ পরিবার পাইপলাইনের পানীয় জলের আওতায় এসেছে বলে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা।

বিজেপি বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে মোট ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৪৯টি গ্রামীণ পরিবারের মধ্যে ৬ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪৩৭টি পরিবারে ইতিমধ্যে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

গত তিন বছরে আরও ১ লক্ষ ৯১ হাজার ১০৬টি পরিবারকে নিরাপদ পানীয় জলের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি ১,১৯৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ভিলেজ কমিটিকেও এই পরিষেবার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জল জীবন মিশনের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের ১৫ আগস্ট প্রকল্পটি চালুর সময় মাত্র ৩.২৪ শতাংশ গ্রামীণ পরিবার পাইপলাইনের পানীয় জল পেত। ২০২৩ সালের ২০ আগস্টের মধ্যে সেই সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার ১৩৫টি পরিবারে পৌঁছায়।

তবে এডিসি এলাকার কিছু প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে বলেও স্বীকার করেন মুখ্যমন্ত্রী। টিএমপি বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মার প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিশেষ করে মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় সমস্যা বেশি।

পাহাড়ি ও পাথুরে এলাকায় উপযুক্ত জলস্তর না থাকায় গভীর বা অগভীর নলকূপ বসানো কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে ঝরনা ও ছড়ার জল সংগ্রহ করে পাম্পের মাধ্যমে উঁচু এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার মতো বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করছে সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, এডিসি এলাকায় গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ পরিবার পানীয় জলের আওতায় এসেছে। এলাকাভেদে এই হার ৮৫ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে।

বাকি পরিবারগুলিকে জল সরবরাহের আওতায় আনতে গভীর ও অগভীর নলকূপ, জল শোধনাগার এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ চলছে। শীঘ্রই রাজ্যে ১০০ শতাংশ গ্রামীণ পরিবারকে পাইপলাইনের পানীয় জলের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী।

গ্রামভিত্তিক পানীয় জল সরবরাহের তথ্য ও উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে এলজিডি বা Local Government Directory কোড ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও বিধানসভায় জানান মুখ্যমন্ত্রী।

You may also like

Leave a Comment