Home ত্রিপুরাউদয়পুরে পুলিশ স্টেশন পরিদর্শনে যান ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি জি এস রাও

উদয়পুরে পুলিশ স্টেশন পরিদর্শনে যান ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি জি এস রাও

by Debasish
0 comments 20 views

দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার ও মহিলা নিরাপত্তায় গুরুত্ব

আগরতলা, ২১ আগস্ট: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং পুলিশের কার্যক্রম সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে উদয়পুর মহকুমার রাধাকিশোরপুর (আর. কে. পুর) থানা ও মহিলা থানায় পরিদর্শন করলেন ত্রিপুরা পুলিশের অ্যাক্টিং ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডিজিপি) জি. এস. রাও। পরিদর্শনকালে তিনি সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি, পুলিশের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

১৯৯৯ ব্যাচের আইপিএস আধিকারিক জি. এস. রাও থানায় পৌঁছালে পুলিশ কর্মীদের পক্ষ থেকে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। এরপর তিনি আর. কে. পুর থানা ও মহিলা থানার বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। থানাগুলির দৈনন্দিন কার্যক্রম, পুলিশি পরিষেবা, চলতি মামলাগুলির অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে আধিকারিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

পরিদর্শনের পাশাপাশি পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও করেন অ্যাক্টিং ডিজিপি। বৈঠকে পুলিশ-জনসম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে তিনি পুলিশ কর্মীদের আরও জনমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাঁদের সমস্যা ও অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে শোনার নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জি. এস. রাও বলেন, পুলিশ প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছে যাওয়া। মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা পুলিশকে সক্রিয়ভাবে শুনতে হবে এবং দ্রুত তার সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাজ্যে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান অ্যাক্টিং ডিজিপি। পাশাপাশি মহিলাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পুলিশের প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন জি. এস. রাও।

পুলিশ প্রশাসনের এই ধরনের নিয়মিত মাঠপর্যায়ের পরিদর্শনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে থানাগুলির কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি পুলিশি পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য ও জবাবদিহিমূলক করে তোলা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। একইসঙ্গে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।

You may also like

Leave a Comment