Home আগরতলালাইন কেটে স্মার্ট মিটার বসানোর অভিযোগ!

লাইন কেটে স্মার্ট মিটার বসানোর অভিযোগ!

by Roy
0 comments

নবগ্রামে বিদ্যুৎ দফতরের বিরুদ্ধে সরব গ্রাহক, শর্ট সার্কিটে ১২টি বাল্ব ও ফ্যান নষ্ট হওয়ার দাবি

আগরতলা: স্মার্ট মিটার নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এবার বিদ্যুৎ দফতরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠল নবগ্রাম এলাকায়। গ্রাহকের অভিযোগ, প্রথমে তাঁর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা দলবল নিয়ে এসে তাঁর বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসান। মিটার সংযোগের সময় গাফিলতির কারণে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হয়ে বাড়ির ১২টি বাল্ব ও একটি সিলিং ফ্যান নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ওই গ্রাহক।

ঘটনাটি ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি কর্পোরেশন লিমিটেডের দুর্জয়নগর সাব-স্টেশনের অধীন নবগ্রাম এলাকার এক বিদ্যুৎ গ্রাহকের বাড়িতে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ দফতরে লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গ্রাহক।

গ্রাহকের দাবি, তাঁর পুরনো বিদ্যুৎ মিটারটি সঠিকভাবেই কাজ করছিল। পুরনো মিটারের পরিবর্তে স্মার্ট মিটার বসানোর বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পর নতুন মিটারের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু পুরনো ও নতুন মিটারের রিডিংয়ের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য নজরে আসে বলে দাবি তাঁর।

বিষয়টি বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের জানানো হলে তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেন। অভিযোগ, এরপর পুরনো মিটারটিও নষ্ট করে দেওয়া হয়। গ্রাহকের আরও দাবি, পুরনো মিটার সংযোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রিডিং শুরু হলেও স্মার্ট মিটার সংযোগের পর প্রায় দু’দিন পর্যন্ত সঠিকভাবে রিডিং পাওয়া যায়নি।

banner

এরই মধ্যে স্মার্ট মিটার বসানোর সময় বিদ্যুৎ সংযোগে ত্রুটির জেরে শর্ট সার্কিট হয় এবং তাঁর বাড়ির ১২টি বাল্ব ও একটি সিলিং ফ্যান নষ্ট হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন ওই গ্রাহক। তাঁর দাবি, বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের গাফিলতির কারণেই তাঁকে এই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট গ্রাহক লিখিতভাবে বিদ্যুৎ দফতরের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক সামগ্রীর বিষয়টিও জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বক্তব্য এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

স্মার্ট মিটার নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন মহলে যখন আলোচনা ও অভিযোগ অব্যাহত, তখন নবগ্রামের এই ঘটনা সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গ্রাহকের অভিযোগ, তাঁর সম্মতি ও আপত্তিকে যথাযথ গুরুত্ব না দিয়েই কার্যত চাপ সৃষ্টি করে স্মার্ট মিটার বসানো হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, স্মার্ট মিটার বসানোর ক্ষেত্রে গ্রাহকের সঙ্গে বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের সমন্বয় কতটা রয়েছে এবং মিটার সংযোগের সময় ত্রুটির কারণে বৈদ্যুতিক সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে তার দায় কে নেবে? ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রকৃত কারণ প্রকাশের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

You may also like

Leave a Comment