Home ত্রিপুরারুদ্রসাগরকে দেশের অন্যতম আইকনিক হ্রদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রীর দ্বারস্থ মন্ত্রী কিশোর বর্মন

রুদ্রসাগরকে দেশের অন্যতম আইকনিক হ্রদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রীর দ্বারস্থ মন্ত্রী কিশোর বর্মন

by Debasish
0 comments 3 views

আগরতলা, ৩১ অক্টোবর: ত্রিপুরার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন রুদ্রসাগরকে দেশের অন্যতম আইকনিক হ্রদ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী কিশোর বর্মন। রুদ্রসাগরের সার্বিক সংস্কার, জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পার্শ্ববর্তী জলপ্রবাহ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা চাইলেন তিনি।

এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় জলশক্তি প্রতিমন্ত্রী ডাঃ রাজ ভূষণ চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন। বৈঠকে রুদ্রসাগর এবং তার পার্শ্ববর্তী জলসম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকের বিষয়ে জানাতে গিয়ে কিশোর বর্মন বলেন, রুদ্রসাগরের সামগ্রিক পুনরুজ্জীবনের পাশাপাশি জলাশয়ের গভীরতা বৃদ্ধি, নোয়াছড়া ছড়ার জলপ্রবাহ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং কাচিগাং ও গোমতী নদীর সংযোগস্থল পুনরুদ্ধারের বিষয়টি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, ঐতিহাসিক রুদ্রসাগরকে দেশের অন্যতম আইকনিক হ্রদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কেন্দ্রীয় সহযোগিতা ও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।

কিশোর বর্মনের মতে, রুদ্রসাগরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং পরিবেশগত ভারসাম্য অক্ষুণ্ণ রেখে পরিকল্পিতভাবে সংস্কার করা হলে এটি ত্রিপুরার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। এর ফলে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও আর্থিক উপার্জনের সুযোগও তৈরি হবে।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে উত্থাপিত বিষয়গুলিকে কেন্দ্রীয় জলশক্তি প্রতিমন্ত্রী গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

কিশোর বর্মন বলেন, রুদ্রসাগরকে শুধুমাত্র সংরক্ষণ করাই তাঁদের লক্ষ্য নয়, বরং এর ঐতিহাসিক পরিচয় ও সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরে জাতীয় স্তরে গর্বের প্রতীকে পরিণত করতে চান তাঁরা। আগামী প্রজন্মের জন্য এই প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি এর পর্যটন সম্ভাবনাকেও কাজে লাগানো হবে।

প্রস্তাবিত এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রুদ্রসাগরের পরিবেশগত পুনরুদ্ধার, পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিশা খুলে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এতে জাতীয় পর্যটন মানচিত্রে রুদ্রসাগরের পরিচিতি আরও উজ্জ্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

You may also like

Leave a Comment