Home ত্রিপুরাভিলেজ কমিটি নির্বাচনে বিরোধী এজেন্টকে বাধা ও হুমকির অভিযোগ রাধাচরণের

ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে বিরোধী এজেন্টকে বাধা ও হুমকির অভিযোগ রাধাচরণের

by Debasish
0 comments 8 views

আগরতলা, ২৮ সেপ্টেম্বর: এডিসি এলাকার ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের বাধা দেওয়া, ভয় দেখানো এবং অনিয়মের অভিযোগ তুললেন গণমুক্তি পরিষদের (জিএমপি) সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা। একইসঙ্গে কোনও ধরনের চাপ বা ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটারদের নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাধাচরণ দেববর্মা বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর এডিসি এলাকায় ভিলেজ কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, এই দীর্ঘ সময়ে এডিসি এলাকার মানুষ নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাঁর দাবি, বামফ্রন্ট সরকারের সময় প্রতি পাঁচ বছর অন্তর ভিলেজ কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো।

নির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব থেকে শুরু করে স্ক্রুটিনি ও মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় পর্যন্ত পশ্চিম ত্রিপুরা, খোয়াই এবং সিপাহিজলা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিরোধী প্রার্থীদের নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কোথাও প্রার্থীদের সঠিকভাবে মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং কোথাও চাপ সৃষ্টি করে মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

ভোটগ্রহণের দিনও একাধিক ঘটনার অভিযোগ সামনে আনেন জিএমপি সাধারণ সম্পাদক। তাঁর অভিযোগ, খয়েরাই ভিলেজ কমিটি এলাকায় জিএমপির এক পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়। খামটিং ভিলেজ কমিটির গামছাবাড়িতে এক প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি পার্টনিতে বিরোধী প্রতিনিধিদের নির্ধারিত আসনে বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন রাধাচরণ।

এছাড়াও পার্টনি, কাঠিয়া রাম এবং খারবাং এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের রবিবার রাতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। কাঠিয়া রামের এক প্রার্থীর বাড়ি থেকে মুরগি নিয়ে যাওয়া এবং পার্টনিতে কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগও করেন জিএমপি নেতা।

তবে রাধাচরণ দেববর্মা জানান, সোমবার সকাল পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল এবং বড় ধরনের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেও তিনি মোটামুটি সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেন।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনও ধরনের ভয় বা চাপের কাছে মাথা নত না করে বিকেল ৪টার মধ্যে প্রত্যেকে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। তাঁর আবেদন, “গ্রামবাসী যাকে ইচ্ছা, তাকেই ভোট দিন।” ভোটাররা যাতে স্বাধীনভাবে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

You may also like

Leave a Comment