Home আগরতলা“জোটের জট কাটাতে ত্রিপুরায় বি এল সন্তোষ, তিপরা মথার সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা”

“জোটের জট কাটাতে ত্রিপুরায় বি এল সন্তোষ, তিপরা মথার সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা”

by Debasish
0 comments 20 views

আগরতলা, ১ সেপ্টেম্বর: আসন্ন ভিলেজ কমিটি (VC) নির্বাচনকে সামনে রেখে তিপরা মথার সঙ্গে জোটের সমীকরণ চূড়ান্ত করার তৎপরতার মধ্যেই মঙ্গলবার ত্রিপুরায় এলেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি এল সন্তোষ। দু’দিনের সফরে রাজ্যে এসেছেন তিনি।

বি এল সন্তোষের সঙ্গে রাজ্যে পৌঁছেছেন বিজেপির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সমন্বয়ক সম্বিত পাত্র, দলের নেতা রবীন্দ্র রাজু এবং রাজদীপ রায়। আগরতলার খেজুরবাগান সংলগ্ন স্টেট গেস্ট হাউসে কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা।

বিজেপি ও তিপরা মথার মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও এখনও পর্যন্ত জোটের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ভিলেজ কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় আসন সমঝোতা এবং জোটের রূপরেখা দ্রুত চূড়ান্ত করার জন্য দুই দলের উপরই চাপ রয়েছে।

সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা জানিয়েছিলেন, তিপরা মথার সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে। জোটসঙ্গীদের সঙ্গে নিয়েই আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি লড়াই করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছনোর পরই জোটের বিস্তারিত বিষয় ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, জোটের প্রশ্নে নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন তিপরা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মা। সোমবার ফেসবুক লাইভে তিনি ফের স্পষ্ট করে দেন, তিপ্রাসা অ্যাকর্ডে প্রতিশ্রুত সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁর দল কোনও নির্বাচনী সমঝোতায় যাবে না।

প্রদ্যোত বলেন, আদিবাসী জনগণের জন্য দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি তিপরা মথা ভুলবে না। প্রতিশ্রুত সাংবিধানিক অধিকার পূরণ না হলে আসন্ন নির্বাচনে কোনও জোটে যাওয়ার প্রশ্নও নেই বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, ত্রিপুরার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক উন্নয়ন ও কল্যাণের বিভিন্ন বিষয় সমাধানের লক্ষ্যে ২০২২ সালে কেন্দ্র, ত্রিপুরা সরকার এবং তিপরা মথার মধ্যে ত্রিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল।

এই পরিস্থিতিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ত্রিপুরা সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁদের সফরে বিজেপি-তিপরা মথার মতপার্থক্য কতটা মেটে এবং শেষ পর্যন্ত দুই দল যৌথভাবে ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে লড়াই করে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

You may also like

Leave a Comment