Home আগরতলাটিউমার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন ৯ বছরের আয়ুশির মায়ের

টিউমার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন ৯ বছরের আয়ুশির মায়ের

by Debasish
0 comments 14 views

নিজস্ব প্রতিনিধি, শান্তিরবাজার, ২৪ আগস্ট: মাত্র ৯ বছর বয়সেই কঠিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছে শান্তিরবাজারের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী আয়ুশি দাস। পায়ের হাড়ে টিউমার ধরা পড়ার পর দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন এই শিশুর পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতিও বর্তমানে অত্যন্ত সংকটজনক। মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সমাজের সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন আয়ুশির মা প্রিয়াঙ্কা দাস।

আয়ুশি শান্তিরবাজার উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় (বিদ্যাজ্যোতি)-এর তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। শান্তিরবাজারের মাস্টারপাড়ায় ভাড়া বাড়িতে বাবা বিশ্বজিৎ দাস ও মা প্রিয়াঙ্কা দাসের সঙ্গে থাকে সে। বাবা রাজমিস্ত্রির কাজ করেন এবং মা গৃহপরিচারিকার কাজ করে সংসার চালান।

পরিবারের দাবি, প্রায় চার বছর আগে আয়ুশির পায়ের হাড়ে টিউমার ধরা পড়ে। এরপর চিকিৎসা শুরু হয়। গত বছরের জুলাই মাসে তার পায়ে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়। ওই অস্ত্রোপচারের জন্য পরিবারের প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়। সীমিত আয়ের সংসারে সেই বিপুল চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে বাবা-মাকে ধারদেনার আশ্রয় নিতে হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরও পুরোপুরি স্বস্তি মেলেনি। পরিবারের দাবি, চিকিৎসকরা আগের অস্ত্রোপচারে বসানো প্লেটটি দ্রুত খুলে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি আয়ুশির পায়ে আরও ১৫ থেকে ২০টি ছোট টিউমার শনাক্ত হয়েছে বলেও পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ফলে ফের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই চিকিৎসা করানো নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে পরিবারটি।

মেয়ের চিকিৎসার জন্য চোখের জলে হাতজোড় করে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন আয়ুশির মা প্রিয়াঙ্কা দাস। তিনি শান্তিরবাজারের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, মণ্ডল সভাপতি দেবাশিস ভৌমিক, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং সমাজের সহৃদয় মানুষের কাছে এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন।

প্রিয়াঙ্কা বলেন, “আমার সন্তানকে বাঁচাতে আপনারা পাশে দাঁড়ান। প্রত্যেকে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে হয়তো আমার মেয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।”

মেয়ের চিকিৎসা যাতে আর্থিক কারণে থমকে না যায়, সেজন্য দ্রুত সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন অসহায় বাবা-মা। ছোট্ট আয়ুশিকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে এখন সমাজের সহৃদয় মানুষের সহযোগিতার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে পরিবারটি।

You may also like

Leave a Comment