আমবাসা, ৭ অক্টোবর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছরের জনজীবনের রাজনৈতিক যাত্রা শুধু একজন নেতার সাফল্যের কাহিনি নয়, বরং ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তি এবং জনগণের আস্থার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার বিদ্যুৎ ও কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ।
বুধবার ধলাই জেলার আমবাসা মোটরস্ট্যান্ডে জেলা স্তরের ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রতনলাল নাথ বলেন, ২০০১ সালে নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৪ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর ২০১৯ সালে পুনর্নির্বাচিত হয়ে এবং ২০২৪ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মন্ত্রী বলেন, “এটি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা নয়। এটি ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তি এবং দেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন।”
মোদি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথাও এদিন তুলে ধরেন রতনলাল নাথ। তাঁর দাবি, সরকারের মূল লক্ষ্য হল দেশের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া।
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-KISAN), সড়ক ও রেল যোগাযোগের উন্নতি, বিমানবন্দর ও বন্দরের সম্প্রসারণ, গ্রামীণ পরিকাঠামোর উন্নয়ন, বিদ্যুতায়ন এবং ডিজিটাল পরিষেবার প্রসঙ্গ তুলে ধরে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কথা জানান তিনি।
রতনলাল নাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের কল্যাণকে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, “ভারত খুব শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠবে। আর ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে বিশ্বের এক নম্বর স্থানে নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
‘সেবা সংকল্প অভিযান’ ও ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ বছরের জনসেবার যাত্রাকে স্মরণ করার পাশাপাশি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য বলে জানান মন্ত্রী।