খাদ্যপণ্যের গুণমান ও নিরাপদ ব্যবহারে সচেতনতার বার্তা
নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ আগস্ট: ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে রাজ্যের রন্ধনশিল্পীদের সম্মান ও উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিল লংতরাই গুঁড়ো মশালা কোম্পানি। শনিবার আগরতলায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংস্থার কর্ণধার রতন দেবনাথ এই উদ্যোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতি বছর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত রন্ধনশিল্পীদের একত্রিত করে তাঁদের সম্মান জানানো ও উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন হোটেলের শেফদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে রতন দেবনাথ জানান, লংতরাইয়ের পক্ষ থেকে তেল, মশলা, ঘি, চালসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য রিটেলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। খাদ্যপণ্যের গুণমান, উপকরণ ও প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের নির্ধারিত খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম ও বিধি মেনে চলার ওপর সংস্থা বিশেষ গুরুত্ব দেয় বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, উন্নতমানের খাদ্যপণ্য তৈরি করাই সংস্থার একমাত্র দায়িত্ব নয়। সেই পণ্যের সঠিক ব্যবহার এবং রান্নার সময় গুণমান ও খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়েও রন্ধনশিল্পীদের সচেতন করা প্রয়োজন। কারণ, একটি খাবারের গুণমান ও নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে সঠিক উপকরণ নির্বাচন এবং তা যথাযথভাবে ব্যবহারের ওপর।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত রন্ধনশিল্পী ও শেফদের সঙ্গে খাদ্যপণ্যের সঠিক ব্যবহার, গুণমান বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাবার প্রস্তুত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি রান্নার ক্ষেত্রে সঠিক উপকরণ ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিরাপদ ও গুণমানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে ত্রিপুরার প্রতিটি পরিবারের কাছে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পৌঁছে দেওয়াই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের রন্ধনশিল্পী এবং বিভিন্ন হোটেলের শেফদের অংশগ্রহণে এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে বলেও সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
লংতরাইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খাদ্যপণ্যের গুণমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সেগুলির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো গেলে সাধারণ মানুষের কাছে আরও নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। ভবিষ্যতেও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার কথা জানায় সংস্থাটি।
সাংবাদিক সম্মেলনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল রন্ধনশিল্পী ও শেফদের মূল্যবান সময় ও সহযোগিতার জন্য সংস্থার পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।