আগরতলা, ২৪ অক্টোবর: দুর্গাপুজোর প্রতিমা বিসর্জন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল আগরতলা পুর নিগম। পুর নিগমের অধীন প্রায় ৯৭ শতাংশ ক্লাব ও পুজো উদ্যোক্তা ইতিমধ্যেই প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করেছেন। বাকি প্রতিমাগুলির বিসর্জনও শনিবারের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।
মেয়র জানান, নির্বিঘ্নে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আগরতলা পুর নিগমের উদ্যোগে মোট ১৭টি দশমীঘাটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এর মধ্যে জয়নগর দশমীঘাটকে প্রধান বিসর্জনস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। পুজো উদ্যোক্তা, বিভিন্ন ক্লাব এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়েছে।

বিসর্জনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে দীপক মজুমদার জানান, দশমীর প্রথম দিনে ২২১টি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। পরের দিন বিসর্জন হয় আরও ৫০টি প্রতিমার। এছাড়া শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত আরও ৬৯টি প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। এর পরেও কিছু প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া বাকি ছিল। প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেগুলিও দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মেয়রের বক্তব্য, প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল, অধিকাংশ পুজো উদ্যোক্তাই তা মেনে চলেছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিসর্জন প্রক্রিয়া শেষ করার ক্ষেত্রে ক্লাব ও পুজো কমিটিগুলির সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মায়ের গমন অনুষ্ঠানের আগেই সমস্ত প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করার জন্য উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


এবারের ‘মায়ের গমন’ অনুষ্ঠানও বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে বলে জানান মেয়র। এই অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিদেশি অতিথিরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন বলে তিনি জানান।