Home আগরতলাভূমিহীন টিলায় ক্ষতিগ্রস্ত পানীয় জলের পাইপলাইন পরিদর্শন ও সমস্যা নিয়ে ডি ডব্লিউ এস দফতরের আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করছেন মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা

ভূমিহীন টিলায় ক্ষতিগ্রস্ত পানীয় জলের পাইপলাইন পরিদর্শন ও সমস্যা নিয়ে ডি ডব্লিউ এস দফতরের আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করছেন মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা

by Roy
0 comments

তেলিয়ামুড়া, ১১ আগস্ট : গ্রামীণ এলাকার মানুষের ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দিতে সরকারি উদ্যোগে তৈরি জল সরবরাহ পরিকাঠামোই এবার বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে। তেলিয়ামুড়া মহকুমার চাকমাঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূমিহীন টিলা এলাকায় পানীয় জলের পাইপলাইন বারবার ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর জেরে ব্যাহত হচ্ছে জল সরবরাহ, দুর্ভোগে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তেলিয়ামুড়া ডি ডব্লিউ এস দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার এ. দেববর্মার অভিযোগ, ভূমিহীন টিলা এলাকায় দিনের আলো কিংবা রাতের অন্ধকারে বারবার পানীয় জলের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। প্রতিবারই দফতরের কর্মীরা পাইপলাইন মেরামত করে জল সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কয়েকদিন যেতে না যেতেই ফের একই ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ।

ফলে একদিকে যেমন সরকারি অর্থে তৈরি পরিকাঠামো বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নিয়মিত পানীয় জল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বারবার মেরামতের কারণে দফতরের কাজের চাপও বাড়ছে। দফতরের দাবি, একই এলাকায় ধারাবাহিকভাবে পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জল সরবরাহের সমস্যা এবং ভূমিহীন টিলায় পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি জানতে মঙ্গলবার তেলিয়ামুড়া ডি ডব্লিউ এস দফতরে যান ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা জনজাতি কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কৃষ্ণপুর মণ্ডলের সহ-সভাপতি গোপাল দাস, খোয়াই জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক নির্মল সরকার এবং মণ্ডল যুব মোর্চার সভাপতি নির্মল দেবনাথ।

banner

দফতরে গিয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তাঁরা। কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় পানীয় জলের সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইন দ্রুত মেরামত করা এবং জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জানা গিয়েছে, সমস্যার দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে সরকারি জল সরবরাহ ব্যবস্থার পাইপলাইন ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

দফতরের আধিকারিকদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের স্বার্থে তৈরি পানীয় জল সরবরাহের পরিকাঠামো রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব। সরকারি সম্পদ নষ্ট করার প্রবণতা বন্ধ করতে স্থানীয় স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। কারণ, পাইপলাইনে প্রতিটি ‘আঘাতের’ সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের পানীয় জলের উপর।

You may also like

Leave a Comment