Home আগরতলামুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে শুরু ৫৪তম রাজ্য ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ

মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে শুরু ৫৪তম রাজ্য ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ

by Roy
0 comments

৮ জেলার খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ, ক্রীড়াক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর

ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার হাত ধরে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো ৫৪তম রাজ্যভিত্তিক ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের। ত্রিপুরা ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এনএসআরসিসি ব্যাডমিন্টন হলে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ক্রীড়ামহলে উৎসাহ দেখা দিয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী সভাপতি রতন সাহা, ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুজিত রায়, রাজ্য ক্রীড়া পর্ষদের সচিব সুকান্ত ঘোষ-সহ ক্রীড়াক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় রাজ্যের ৮টি জেলা থেকে খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ এবং সিনিয়র পুরুষ ও মহিলা বিভাগ ছাড়াও ভেটেরান্স বিভাগে বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বালক-বালিকা এবং পুরুষ-মহিলা—উভয় বিভাগেই খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে জমে উঠেছে রাজ্য ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো ও খেলোয়াড়দের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, ত্রিপুরার ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভার অভাব নেই। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্তরে রাজ্যের খেলোয়াড়রা ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে দীপা কর্মকার ও অস্মিতা দে-র মতো ক্রীড়াবিদরা রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করেছেন।

banner

অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। বর্তমান সরকার শুধু বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ক্রীড়া ক্ষেত্রে পরিকাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানানো হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অ্যাস্ট্রোটার্ফ মাঠ তৈরি করা হয়েছে এবং খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ক্রীড়া পর্ষদের সচিব থাকাকালীন এনএসআরসিসি ব্যাডমিন্টন হলের উন্নয়নের জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে রাজ্য ক্রীড়া পর্ষদও রাজ্যের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের এগিয়ে নিয়ে যেতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

আয়োজকদের আশা, এই ধরনের রাজ্যভিত্তিক প্রতিযোগিতা থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে ত্রিপুরার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তাঁদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করা যাবে। তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার ফলাফলের দিকে এখন তাকিয়ে ক্রীড়াপ্রেমীরা।

You may also like

Leave a Comment