Home আগরতলাচলতি শিক্ষাবর্ষেই ত্রিপুরায় চালু হচ্ছে আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক কলেজ

চলতি শিক্ষাবর্ষেই ত্রিপুরায় চালু হচ্ছে আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক কলেজ

by Debasish
0 comments 0 views

ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাশাস্ত্রের শিক্ষায় নতুন দিশা, গুরুত্ব পাচ্ছে প্রমাণভিত্তিক আয়ুর্বেদ

আগরতলা, ২০ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরায় চলতি শিক্ষাবর্ষেই চালু হতে চলেছে একটি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ এবং একটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ। রাজ্যে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার শিক্ষা ও প্রসারে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। রাজ্যের ১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উদযাপনকে ঘিরে এই ঘোষণাকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের স্টেট মিশন ডিরেক্টর সাজু ওয়াহিদ জানান, আয়ুর্বেদ দিবস শুধুমাত্র উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার সংস্কার, পুনরুজ্জীবন ও উন্নয়নের দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একইসঙ্গে চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রমাণভিত্তিক আয়ুর্বেদের ব্যবহার ও সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেন তিনি।

তিনি বলেন, চলতি শিক্ষাবর্ষে আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ ও হোমিওপ্যাথিক কলেজ চালু হলে রাজ্যে এই দুই চিকিৎসা পদ্ধতির শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন গতি আসবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবায় ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার ভূমিকা আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ড. বিশাল কুমার বলেন, আয়ুর্বেদ শুধুমাত্র রোগের চিকিৎসার একটি পদ্ধতি নয়; বরং পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সুস্থ জীবনযাপনের পথও দেখায়। দৈনন্দিন জীবনে প্রচলিত বহু অভ্যাস এবং সহজলভ্য বিভিন্ন উপকরণের সঙ্গে ভারতের প্রাচীন আয়ুর্বেদিক জ্ঞানের যোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বর্ধিত দূষণ এবং কিছু ক্ষেত্রে আধুনিক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. কুমার আয়ুর্বেদিক জীবনধারা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

শিশু-কিশোরদের মধ্যেও আয়ুর্বেদ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সমাজের সর্বস্তরে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার শিক্ষা ও প্রচার আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি আয়ুর্বেদ ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের অব্যাহত আগ্রহ ও সমর্থনের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

রাজ্যে একই শিক্ষাবর্ষে দুটি নতুন প্রতিষ্ঠান চালুর উদ্যোগে আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথিক শিক্ষার পরিসর যেমন বাড়বে, তেমনই ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও সংগঠিতভাবে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

You may also like

Leave a Comment