Home আগরতলাউন্নয়নের বার্তা নিয়ে মোহনপুরে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন, মনোনয়ন মিছিলে নেতৃত্বে মন্ত্রী রতনলাল নাথ

উন্নয়নের বার্তা নিয়ে মোহনপুরে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন, মনোনয়ন মিছিলে নেতৃত্বে মন্ত্রী রতনলাল নাথ

by Debasish
0 comments 5 views

কংগ্রেস ও সিপিআইএমকে মোহনপুরে এসে জনসমর্থন দেখার চ্যালেঞ্জ মন্ত্রীর। উন্নয়ন ও মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিকে সামনে রেখেই ভোটের লড়াইয়ে নামার বার্তা।

আগরতলা, ৫ নভেম্বর : আসন্ন নগর স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোহনপুরে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। বৃহস্পতিবার মোহনপুর মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের নির্বাচনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থীদের সমর্থনে বর্ণাঢ্য মিছিলের নেতৃত্ব দিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী রতনলাল নাথ। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মোহনপুরে এই মিছিলকে ঘিরে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

মিছিলের পর সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রতনলাল নাথ বলেন, মিছিলে মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে বিজেপির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও সমর্থন রয়েছে। একই সঙ্গে কংগ্রেস ও সিপিআইএম নেতৃত্বকে মোহনপুরে এসে এই জনসমাগম প্রত্যক্ষ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, উন্নয়নই বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের মূল ভিত্তি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়েই দল ভোটের ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা কিংবা জ্ঞান থাকলেই চলবে না, সমাজের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতাও থাকা জরুরি।

রতনলাল নাথের দাবি, বিজেপি এমন প্রার্থীদের বেছে নিয়েছে, যাঁদের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। সাধারণ মানুষের সমস্যা বোঝার পাশাপাশি প্রয়োজনে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতাকেও প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিন বিরোধী দলগুলির প্রতিও বার্তা দেন মন্ত্রী। সিপিআইএম ও কংগ্রেসকে নগর স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সমস্ত রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করা উচিত।

অতীতের বামফ্রন্ট সরকারের ভূমিকা নিয়েও সরব হন তিনি। রতনলাল নাথের অভিযোগ, কঠিন সময়ে তৎকালীন সিপিআইএম পরিচালিত সরকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছিল। অন্যদিকে, বিজেপির নেতা-কর্মীরা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

এছাড়াও ২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচন প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যে সিপিআইএমের রাজনৈতিক প্রভাব ও জনসমর্থন কমে আসছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। যদিও এগুলি ছিল তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য ও নির্বাচনী প্রচারের দাবি।

You may also like

Leave a Comment